মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসে মূলধারার সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার বন্ধের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছে সংবাদপত্র স্বাধীনতা সংস্থাগুলো। ছয়জন বাদী—যাদের মধ্যে শিক্ষাবিদ, আইনজীবী ও সাংবাদিক রয়েছেন—যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন।
বাদীদের পক্ষে মামলা দায়ের করেছে নাইট ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট ইনস্টিটিউট এবং ইয়েল ল স্কুলের মিডিয়া অ্যান্ড ইনফরমেশন অ্যাক্সেস ক্লিনিক। নিউইয়র্কের ফেডারেল আদালতে দায়ের করা এ মামলায় তারা হোয়াইট হাউসের নির্বাচনী গণমাধ্যম নিষেধাজ্ঞাকে অবৈধ ঘোষণা এবং তা বন্ধের নির্দেশনা চেয়েছেন।
বাদীদের অভিযোগ, হোয়াইট হাউসের এ নীতি জনগণের সংবাদ পাওয়ার অধিকারকে বঞ্চিত করছে এবং সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তারা বলছেন, প্রেসিডেন্ট সম্পর্কে সমালোচনামূলক বা অসতর্ক মন্তব্য করলে তাদের প্রবেশাধিকার বাতিল হতে পারে।
এর আগে সিএনএন, পলিটিকো ও এমএসএনওডব্লিউ হোয়াইট হাউসে তাদের প্রবেশাধিকার পুনর্বহালের দাবিতে পৃথক মামলা করে। আদালত পরে তাদের ক্রেডেনশিয়াল পুনর্বহালের নির্দেশ দেয়।
ট্রাম্প ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যে উত্তেজনা চলছে। গত মাসে সিএনএন, পলিটিকো ও এমএসএনওডব্লিউ-এর সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হলে প্রতিবাদে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম তাদের পুল কভারেজ স্থগিত করে।
হোয়াইট হাউস প্রেস পুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপাশি রক্ষণশীল ব্লগার ও ইনফ্লুয়েন্সারদের সংবাদ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। ফেব্রুয়ারিতে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের সাংবাদিকদের ওভাল অফিস ও এয়ার ফোর্স ওয়ানে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়।
সমালোচকরা বলছেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ণ করছে এবং জনগণের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকারে বাধা সৃষ্টি করছে।