Deleted
প্রকাশ : Nov 1, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

মার্কিন ফেডের সুদহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত: ভুলের আশঙ্কা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) বুধবার সুদহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ায় এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে, এটি কি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ভুল হয়ে দাঁড়াবে? ভোটারদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় এখন প্রধান ইস্যু, এমন সময়ে ফেডের এই পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

গত এক বছরে ভোক্তা মূল্য ৩.৭ শতাংশ বেড়েছে এবং ফেডের পছন্দের মূল্যস্ফীতির সূচক লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি থাকলেও সুদহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ফেড চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ বলেছেন, “সুদহার অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে।” গত মাসে তিন বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবার সুদহার বাড়ানো হয়েছিল, এবং অর্থনীতি কীভাবে সাড়া দেয় তা দেখার জন্য অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ওয়ার্শ বলেন, “মূল্যস্ফীতি স্থিতিশীল রাখা কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা বিচ্ছিন্ন তথ্যের বিষয় নয়, বরং স্পষ্ট লক্ষ্য ও সঠিক মুদ্রানীতি নিশ্চিত করার বিষয়।” ফেড সুদহার বাড়ানোর পর মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা কমেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে অপেক্ষা করার মাধ্যমে ফেড ঝুঁকি নিচ্ছে, কারণ ২০২১ সালের মতো ভুলের পুনরাবৃত্তি হতে পারে, যখন মূল্যস্ফীতিকে উপেক্ষা করা হয়েছিল।

সুদহার বাড়ানো হলে ব্যবসার ঋণ ব্যয় বাড়ে, যা কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে মাত্র ২৯ হাজার কর্মসংস্থান যোগ হয়েছে, যা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম। গত দুই মাসে পূর্বের হিসাবের চেয়ে ৬০ হাজার কম কর্মসংস্থান হয়েছে। বেকারত্বের হার ৪.২ শতাংশ থাকলেও শ্রমবাজার অনিশ্চিত।

বন্ড ইল্ড কিছুটা বেড়েছে, যা ফেডের সুদহারের মতো অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করে। বাজার বিশ্লেষকরা ৯১ শতাংশ সম্ভাবনা দেখেছিলেন যে ফেড সুদহার অপরিবর্তিত রাখবে। নির্বাচনের আগে সুদহার না বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক চাপের প্রভাব বলেও মনে করা হচ্ছে।

ফেডের পূর্ববর্তী ভুল ছিল মূল্যস্ফীতিকে “অস্থায়ী” বলে ঘোষণা করা, যা পরে আরও বড় সমস্যায় পরিণত হয়। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি আবারও অর্থনীতির অন্যান্য খাতে ছড়িয়ে পড়ছে, বিশেষ করে আবাসন ও ভাড়া খরচ বেড়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের কারণে বিদ্যুৎ, নির্মাণসামগ্রী ও শ্রমের দাম বাড়ছে।

ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি মূল্য বাড়তে পারে, যা মূল্যস্ফীতি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ফেড যদি ডিসেম্বরে আরও বড় সুদহার বৃদ্ধি করতে বাধ্য হয়, তাহলে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ২০২২ সালের বড় সুদহার বৃদ্ধির ফলে শেয়ারবাজার ও আবাসন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মার্কিন নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সমর্থনে ইলন মাস্কের ৩৬৬ মিলি

1

সংবিধানে ফিরছে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’

2

ঢাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা, ৩ নদীবন্দরে সতর্কতা জারি

3

প্রেমে ব্যর্থতার বিশ্ব রেকর্ড: আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবসে পি

4

স্বর্ণ ও রুপার দাম কমল, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০

5

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেই দেশে জ্বালানি তেলের দাম কমবে: স

6

হোয়াইট হাউসের নতুন প্রেস সেক্রেটারি কেটি জাকারিয়ার আইনী যো

7

গাজীপুরে লে-অফের প্রতিবাদে শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

8

দেশ ও দেশের বাইরে গুপ্ত গোষ্ঠী ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে: রিজভী

9

দিল্লিতে বিক্ষোভের সময় গ্রেপ্তার সিজেপির শৌরভ দাস ও আশুতোষ

10

নেপালের প্রধানমন্ত্রীর হিমালয় জলবায়ু সহযোগিতা প্রস্তাব

11

ইরাকের কারাগার থেকে মুক্ত প্রকৌশলী রবার্ট পেদার আয়ারল্যান্ড

12

মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ বাড়ছে

13

খরচ কমাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

14

গোলকিপারের ভুলে নরওয়ে হারল, রোনালদো ছাড়াই জিতল পর্তুগাল

15

ট্রাম্পের সংবাদ কাভারেজ বন্ধের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বি

16

বিসিসির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করল নির্বাচন কমিশন

17

রেফারিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে ২৫ হাজার পাউন্ড জরিমানা গুনল

18

সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনে অগ্নিকাণ্ড, দ্রুত নিভিয়ে ফেলা হয়েছে

19

ঢাকা কলেজ হলের রিডিং রুমে ছাত্রদলের ডিজিটাল ঘড়ি উপহার

20