ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস তার জন্মদিনে এক অপ্রত্যাশিত এসএমএস পেয়ে আপ্লুত হয়েছেন। ২০০৯ সালে পরিচিত এক ব্যক্তির কাছ থেকে রাত ১২টায় পাওয়া ওই এসএমএস তার জন্মদিনকে বিশেষভাবে রঙিন করে তুলেছে বলে তিনি জানান।
নিজের জন্মদিনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, “আমার জীবনে একজন মানুষ আছেন, যাঁর সঙ্গে পরিচয় ২০০৯ সালে। এবারের জন্মদিনে ঠিক রাত ১২টায় তাঁর একটি ছোট্ট এসএমএস—বিষয়টি আমার কাছে ভীষণ স্পেশাল। আমি আপ্লুত।” তিনি আরও জানান, এই এসএমএস জন্মদিনটাকে অনেক বেশি কালারফুল করে দিয়েছে।
অপু বিশ্বাস আরও বলেন, সন্তান জয়ের জন্মের পর থেকে জন্মদিনের আনন্দ অন্য রকম হয়ে গেছে। আগে জয় তার কোলে থাকত, এখন পাশে বসে থাকে। এবারও রাত ১২টার পর জয়কে পাশে নিয়ে কেক কেটেছেন তিনি। পাশাপাশি কাছের কিছু মানুষ ঠিক ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, যা তার কাছে সবসময় নতুন অনুভূতি তৈরি করে।
জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, “জীবন কখনো হিসাব-নিকাশ মেনে চলে না। পেছনে ফিরে তাকালে মনে হয়, জীবনে যা কিছু ঘটেছে, প্রতিটি অধ্যায়ই সুন্দর ছিল।” তিনি মনে করেন, জীবনে যা আসে তা থেকে কিছু না কিছু শেখার থাকে।
নিজের আত্মসম্মানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে অপু বিশ্বাস বলেন, “আমি সব সময় সেলফ রেসপেক্টটা একটু ফোকাস করে এসেছি। কারণ, আমি মনে করি, যখন আমি নিজেকে সম্মান করব, তখন অন্যরাও আমাকে সম্মান দেবে।”
সন্তান জন্মের পরের সময়টাকে জীবনের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, সেই সময়টাই তাকে শক্ত ও পরিপূর্ণ হতে সহযোগিতা করেছে। ব্যক্তিজীবনে টানাপোড়েন না হলে কোনো মানুষই নিজেকে পরিপূর্ণভাবে গড়তে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সাফল্যের সংজ্ঞা প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, “আমার কাছে দিন শেষে সাফল্যের সংজ্ঞা হচ্ছে—আমার কর্ম, আমার যোগ্যতা, কী করে যাচ্ছি, যেটা মানুষ আমার আড়ালে বলবে।” তিনি একজন মা হিসেবে সব সময় চিন্তা করেন তার সন্তানের মধ্যে তার আলোটাকে বজায় রাখতে।
নিজের অভিনয় জীবন নিয়ে তিনি বলেন, মানুষ যখন তাকে দেখে বলে—আপনিই কি লাস্ট বাংলা সিনেমার একজন নায়িকা যে আপনাকে মনে রেখেছে গ্রামগঞ্জের মানুষসহ সবাই? তখন মনে হয়, হয়তো কাজ করেছি, নয়তো এ কথা বলার কথা নয়।