Deleted
প্রকাশ : Oct 16, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজার সৈকতে প্লাস্টিক বোতলের তৈরি বিশাল 'দানব' ভাস্কর্য

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে তৈরি বিশাল দানব আকৃতির ভাস্কর্য দেখা গেছে। গত বুধবার বিকেলে এই ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়। প্লাস্টিক দূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে।

ভাস্কর্যটি দেখতে ভিড় করছেন পর্যটকেরা। কেউ ছবি তুলছেন, আবার কেউ ভিডিও করছেন। সংগঠনটি সারা বছর কক্সবাজারে 'প্লাস্টিক এক্সচেঞ্জ স্টোর' পরিচালনা করে। সেখানে পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বিনিময়ে চাল, আটা, চিনি, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ওই কর্মসূচি থেকে সংগৃহীত প্লাস্টিকের একটি অংশ দিয়ে তৈরি হয়েছে 'প্লাস্টিক দানব' ভাস্কর্যটি।

১২ অক্টোবর বিকেলে ভাস্কর্য প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। এ সময় পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভাস্কর্যটি আগামী চার মাস সৈকতে প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি দেখানো হবে পর্যটন বিষয়ে সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্র দেখতে প্রবেশমূল্য হিসেবে দর্শনার্থীদের সঙ্গে আনতে হবে দুটি পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বোতল।

আয়োজকেরা জানান, পর্যটক ও স্থানীয় মানুষদের ব্যবহৃত প্লাস্টিক সমুদ্রকে কীভাবে দূষণ করছে এবং এর ক্ষতিকর প্রভাবের বিষয়ে বার্তা দিতেই তৈরি করা হয়েছে 'প্লাস্টিক দানব' ভাস্কর্যটি। চার মাসের প্রদর্শনীতে কয়েক লাখ পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের কাছে সমুদ্রদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরার লক্ষ্য রয়েছে। প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীল আচরণে মানুষকে উৎসাহিত করতে চান বলে জানান আয়োজকেরা।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, 'আমরা প্রায়ই সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করি, কিন্তু সেই সমুদ্রকে দূষিত করার পেছনে আমাদের নিজেদের ভূমিকার কথা ভুলে যাই। পরিত্যক্ত প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি এই দানব আসলে আমাদের অসচেতনতারই প্রতিচ্ছবি। আমরা চাই, মানুষ এই ভাস্কর্য দেখে শুধু ছবি তুলে চলে যাবে না; বরং নিজের ব্যবহৃত প্লাস্টিক কোথায় ফেলছে, সেটি সমুদ্রের জন্য কী ক্ষতি তৈরি করছে, সেই প্রশ্নটিও নিজের কাছে করবে।'

ভাস্কর্যের বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, সমুদ্র বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু মানুষের অসচেতনতার কারণে প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্র ও সৈকতের পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলছে। এ ধরনের উদ্যোগ দূষণের ভয়াবহতা মানুষের সামনে তুলে ধরবে। পাশাপাশি মানুষের আচরণ পরিবর্তনে উৎসাহিত করবে। কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি পর্যটক, স্থানীয় জনগণ, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওপেনএআই অফিসে গোপন রেকর্ডিং ডিভাইস স্থাপনের অভিযোগ সৌদি নাগর

1

টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন: উৎপাদন বন্ধ, গণমাধ্যমকে তথ্য দি

2

দক্ষতা উন্নয়নে নজর কম, ফ্রিল্যান্সার তৈরির হিড়িক

3

১.৩ বিলিয়ন ডলারে বিক্রি হলো ডেটিং অ্যাপ বাম্বল

4

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ১৪ শিক্ষক অবরুদ্ধ, অধ্যক্ষ বদলি কর

5

শেষ মাসে বউয়ের মন খারাপ, ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে ড্রেস কেনা

6

নিরপেক্ষতার কঠোর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলো সুইজারল্যান্ড, ভ

7

এনসিপির শীর্ষ চার পদ বিলুপ্ত, পুনর্গঠনে আসছে বড় পরিবর্তন

8

পূজার ছুটিতে তৈরি পোশাক কারখানার উৎপাদন চলবে

9

সৌদি হামলায় বগুড়ার শাহেদ নিহত, স্ত্রীর অপেক্ষা স্বামীর মরদেহ

10

নরসিংদীতে বাবার বিরুদ্ধে ছেলেকে হত্যার অভিযোগ

11

ট্রাম্প ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন, প্রথম দিনেই সই করবেন রেকর্ডসংখ্য

12

নিষেধাজ্ঞার শঙ্কার মধ্যেই প্রেমিকা ফনসেকার সঙ্গে বিচ্ছেদ ভিন

13

জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ, সিজেপি নেতাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

14

পাসপোর্ট ছাড়াই কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শনে পর্যটকদের ভিড়

15

ফোর্ট হুড হামলাকারীর মৃত্যুদণ্ডের লাইভস্ট্রিম বাতিল করলেন ট্

16

বদলে যাচ্ছে বড়গাঙের চেনা রূপ

17

টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ১৬ ইউনিট

18

খরচ কমাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

19

নিউইয়র্ক সিটিতে ঘোড়ার গাড়ি নিষিদ্ধের প্রস্তাব অনুমোদনের অ

20