
আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ৩৭২ রানে ইনিংস ঘোষণা করেছে। ফলে জয়ের জন্য আফগানিস্তানের প্রয়োজন ৪৭৯ রান।
এর আগে তৃতীয় দিন বিকেলে ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিন ৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে খেলা শুরু করে তারা। ৫ রানে অপরাজিত লিটন দাসের সঙ্গে ক্রিজে নামেন মেহেদী হাসান মিরাজ, তখন তিনি শূন্য রানে ছিলেন।
এই দুজনের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে দলীয় স্কোর তিনশ পার হয় এবং লিড চারশ ছাড়িয়ে যায়। লিটন ১৪ ও ২৬ রানে জীবন পেয়ে ৬১ বলে টেস্টে টানা দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ২২তম হাফ সেঞ্চুরি করেন। একপ্রান্তে আগ্রাসী ছিলেন লিটন, অন্যদিকে ধীরে এগোতে থাকেন মিরাজ।
এর আগে দুইবার জীবন পাওয়া লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান করতেই ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলকে পৌঁছান। কায়েস আহমেদের বলেই দুইবার জীবন পান তিনি। প্রথমবার স্লিপে কামাল ক্যাচ ফেলে দেন, দ্বিতীয়বার কায়েস নিজেই ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন এবং ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায় তাকে।
বড় লিড এনে দেওয়ার পথে সপ্তম উইকেটে লিটন-মিরাজ ১৪৯ রানের জুটি গড়েন। ১১৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন লিটন। এরপর বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি, ১০২ রানে সাজঘরে ফেরেন। ১১৭ বলে খেলা তার ইনিংসটি ১৪টি চারে সাজানো ছিল।
অন্যদিকে মিরাজও ফিফটির দেখা পান এবং ৯৭ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন। ৭ উইকেটে ৩৭২ রান করার পর ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। শীঘ্রই ব্যাট করতে নামবে স্বাগতিক আফগানিস্তান।
এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে। পরে হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তান ২৪০ রানে অলআউট হয়।